আমি তাঁতি, মানুষের লজ্জা নিবারণের বস্ত্র তৈরি করি


আমি তাঁতি, আমি গর্বিত তাঁতি

ছোটবেলায় দেখতাম আমাদের গ্রামে একটা বাড়ি ছিল। বাড়িটার নাম ছিল জুগিবাড়ি। জুগি হলো আমাদের হিন্দুধর্মের একটা জাত বা সম্প্রদায়। জুগি সম্প্রদায়ের কাজ ছিল বস্ত্র তৈরি করা। তাঁরা যেই মেশিন বা কল দিয়ে কাপড় তৈরি করতো, সেটাকে বলা হতো তাঁত। সেই তাঁত চালিয়ে যারা কাপড় উৎপাদন করতো, তাদের বলা হতো তাঁতি বা জুগি। কোন কোন জায়গায় এসব তাঁতিদের ভিন্ন ভিন্ন নামেও ডাকা হতো, এখনো তাঁতিদের এক-এক জায়গায় এক-এক নামে ডাকা হয় অঞ্চলভেদে। কোথাও তাঁতি, কোথাও ঝোলা, কোথাও কারিকর নামেও ডেকে থাকে এই বস্ত্র তৈরি করার জাদুকর তাঁতিদের। তাঁত শিল্প বা বস্ত্র শিল্প নিয়ে কিছু লিখতে হলে, তার আগে সেই শিল্পের জন্মকথা বা ইতিহাস তুলে ধরতে হয়।

এই তাঁত শিল্প বা বস্ত্র শিল্পের জন্মলগ্ন আমার জানা না থাকলেও, আমি খুব অল্প বয়স থেকেই এই শিল্পের সাথে জরিত। আর আমার বাবা, কাকা, জ্যাঠা, বড়দা—সবাই এই তাঁত শিল্প বা বস্ত্র শিল্পের সাথে আমার জন্মের বহু আগে থেকেই সম্পৃক্ত ছিলেন। আমাদের সংসার চলতো এই শিল্প থেকে শ্রমের বিনিময়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে। যার কারণে আমি বড় হয়ে নিজেও এই শিল্পের সাথে জড়িয়ে যাই বংশগতভাবে। তাই আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এই তাঁত বা তাঁতি নিয়ে কিছু লিখতে চাই, কারণ আমি নিজেও একজন তাঁতি বা বস্ত্র তৈরির কারিকর ছিলাম, কোনো একসময়।

তাঁত (Weaving) হচ্ছে এক ধরণের যন্ত্র বা মেশিন, যা দিয়ে তুলা (Cotton) হতে উৎপন্ন সূতা (Yarn) থেকে কাপড় (Cloth) বানানো হয়। তাঁত বিভিন্ন রকমের হতে পারে বা দেখাও যায়। খুব ছোট ছোট তাঁতও আছে আমাদের দেশে, যা দিয়ে দেশীয় গামছা আর ওড়না তৈরি করা হয়। এসব তাঁত আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন নামে পরিচিত। তাহলো—জাপানি কল, পিট লুম, টেপ লুম, ঠকঠকি, হ্যান্ড লুম (হাত তাঁত)। এসব কল বা মেশিনগুলি হাতে চালানো হয়।

এরপর যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কাপড় উৎপাদন বৃদ্ধি করতে বৈদ্যুতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হয় পাওয়ার লুম (Power Loom Machine), যা বিদ্যুতের সাহায্যে চলে। এই পাওয়ার লুমের মধ্যেও বর্তমানে বহু প্রকার কাপড় তৈরি করার মেশিন আছে, যেগুলি বিদেশিদের দেখাদেখি আমাদের দেশে তৈরি করে, তার নাম বাংলা মেশিন বা বাংলা লুম। আর যেগুলি সরাসরি বিদেশ থেকে আসে, সেগুলি বিভিন্ন নামে পরিচিত—চায়না লুম, জাপানি পাওয়ার লুম, কোরিয়ান লুম, সুইজারল্যান্ডি লুম—যেই দেশের মেশিন সেই দেশের নামটা মেশিনের আগে ব্যবহার করা হয়।

তারপরও আরও আছে রিপিয়ার মেশিন, যেই মেশিন সূতার নলি সংযুক্ত (মাকু ছাড়াই) চলতে সক্ষম। আছে সেরোয়ার ফাইভ হান্ড্রেড, এই মেশিনটা রিপিয়ার মেশিনের মতো। প্রতি মিনিটে পাঁচশ’ বার বাইনের সূতা জোড়া লাগাতে সক্ষম বিধায় এর নাম রাখা হয় সেরোয়ার ফাইভ হান্ড্রেড। আছে সোলজার মেশিন—এগুলিও সবই রিপিয়ার (Repair Machine) পরিবারের বংশধর। আরও আছে এয়ারজেট, ওয়াটারজেট মেশিন। এয়ারজেট মেশিন সূতার নলি (Bobbin Winder) বা মাকুর (Shuttle) পরিবর্তে বাতাস দ্বারা মাকুর কাজ করে, বিধায় তার নাম এয়ারজেট। আর ওয়াটারজেট মেশিন হলো সূতার নলি বা মাকুর পরিবর্তে পানির সাহায্যে মাকুর কাজ করা হয়, বিধায় তার নাম রাখা হয় ওয়াটারজেট।

যেই বস্তুটাকে কাজে লাগানোর জন্য এসব মেশিনের আবিষ্কার, তা হলো তুলা। তুলা থেকেই হয় সূতা, সূতা দিয়ে তৈরি করা হয় কাপড়। কাপড় ছাড়া এই সুন্দর পৃথিবীর কোনো মানুষের লজ্জা নিবারণ হয় না—সে হোক না কোনো রাজা বাদশা, হোক কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী, হোক কোনো রাষ্ট্রপ্রধান। লজ্জা নিবারণের জন্য সবার এক টুকরো কাপড় লাগবেই লাগবে। সেই কাপড় তৈরির মেশিন হলো তাঁত (Loom) আর কারিগর হলো তাঁতি (weaver)

আমার ধারণা, এই সুন্দর পৃথিবীতে বস্ত্র আবিষ্কার হয়েছিল শীত থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য। কারণ, আদি যুগে লজ্জা কোনো বিষয় ছিল না। আমার মনে হয়, তখন লজ্জা কাকে বলে, তখনকার দিনের মানুষ তা বুঝত না। তখন তাঁরা সবসময় থাকত ক্ষুধা নিবারণের জন্য হতাশ আর ভয়ে থাকত দৌড়ের উপর। যেখানে ঝড়-তুফান আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করতে হতো তাদের দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা, সেখানে-সেখানে ওত পেতে থাকত বনের জীব-জন্তু। সেখানে এই লজ্জা নামক জিনিসটার নামই তখন ছিল না। আর লজ্জা কী, সেটা তখনকার মানুষ বুঝতোও না। তারা শুধু বুঝতো বেঁচে থাকার লড়াই।

তখন তাঁরা জীবনধারণের জন্য ছুটে বেড়াতো শুধু খাদ্যের সন্ধানে। সারাদিন খাদ্য সংগ্রহ করে, রাতে বনের হিংস্র প্রাণীদের আক্রমণ হতে নিজেকে বাঁচানোর জন্য গাছের উঁচু জায়গায় বা কোনো পাহাড়ের গুহায় আত্মরক্ষা করতো।

মনে হয় তখন তাদের লজ্জা কোনো প্রয়োজনীয় বিষয় ছিল না, যা এখনো দেখা যায় ব্রাজিলের আমাজন রেইন ফরেস্ট-এর কিছু ভিডিও দেখলে। আদিযুগের মানুষের ছিল শুধু খাদ্য আর রাতযাপনের চিন্তা। খাদ্য যা-ই পেতো তাই খেতো। কিন্তু শীতের হাত থেকে বাঁচার প্রয়োজনে তখন তাঁরা গাছের ছাল বা পশুর চামড়া ব্যবহার করে জীবনধারণ করতো। এভাবেই চলতে চলতে মানুষ শীত থেকে বাঁচার উপায় খুঁজে বের করে ফেলল। তা ছিল গাছের তুলা থেকে বহু কষ্টে সূতা তৈরি করে। সেই তুলা থেকে একদিন সূতার আবিষ্কার করে ফেলে। সেই সূতা থেকেই তৈরি করা শুরু করে হাতে বুনা কাপড়।

সেই আদি যুগের মানুষ যখন ধীরে ধীরে সভ্য জগতে পা রাখতে শুরু করলো, তখন তাদের কাপড় তৈরি করাও উন্নতির দিকে অগ্রসর হতে লাগল।

গাছের তুলা সংগ্রহ করে, সেই তুলার আঁশ হতে হাতে পাক দিয়ে সূতা তৈরি করে, সেই সূতা এক থেকে দেড় হাজার সূতা সারিবদ্ধভাবে একসাথে করে ২০ গজ বা তারও বেশি লম্বা একটা বড় রুলার (ঘুড়ি উড়ানোর নাটাই-এর মতো) তৈরি করতো। (বর্তমানে সেই রুলার কোনো কোনো জায়গায় টানা বা ভীম (Veeam) বলে পরিচিত)। সেই টানা বা ভীমের মোট সূতাগুলিকে আলাদা আলাদা করে ১০/১১/১২/ বা ১৩ ইঞ্চি লম্বা ‘ব’ বা ‘বয়া’—মাঝখানে সুইয়ের ছিদ্রের মতো থাকে এমন, সেই ছিদ্রযুক্ত জায়গা দিয়ে একটা একটা করে সূতা ভরে সাজানো হয়। এই কাজটাকে বলে ‘ব’ গাঁথা বা ড্রয়ার বা রিচিং করা। কোনো কোনো জায়গায় এই কাজটাকে হানা ‘ব’ বলা হয় (নরসিংদী আর পাবনায়)। আমি নিজেও টেক্সটাইল মিলের একজন ড্রয়ারম্যান ছিলাম।

এই বয়াগুলো দুই ভাগে বিভক্ত বা ১০/১২ ভাগে বা তারও বেশি ভাগে বিভক্ত থাকে বা থাকতে পারে (কাপড়ের ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে)। এই সারিবদ্ধ বয়াকে বলে ঝাপ বা (Ring Frame) বয়ের ফ্রেম। এই ‘ব’ বা বয়ার ভিতর দিয়ে সূতাগুলো শানা বা হানা বা রিড-এর ভিতরে সমান ভাগে ভাগ করে শানার (Reed) ভিতরে ঢুকায়। এই রিড বা শানা বা হানা ঘন-পাতলা হয়, ১০ কাউন্ট হতে শুরু করে ২৫০ কাউন্টের শানাও আছে। যত বেশি কাউন্টের শানা বা রিড, তত তার শলা বা ঘর। যদি ৫০ কাউন্টের শানা বা রিড হয়, তবে প্রতি ইঞ্চিতে শানার ঘর বা ফাঁক বা শলা থাকবে ৫০-এর অর্ধেক, অর্থাৎ ২৫ ঘর বা ২৫ শলা। এক-এক ঘরে দুই সূতা করে হলে প্রতি ইঞ্চিতে সূতা থাকবে ১০০ সূতা। ৫০ ইঞ্চি কাপড়ের জন্য সূতার প্রয়োজন হবে ৫০০০ সূতা, আর ‘ব’ বা বয়াও থাকবে ৫০০০ বয়া।

যখন তাঁত চালু দেয় বা চালায় তখন এই ‘ব’ বা বয়ার ঝাপ বা ফ্রেম ওপর-নিচ হয়ে দুই ভাগে ভাগ হয়ে ওঠা-নামা করতে থাকে, তখন ভীমের সূতাগুলিকে মাঝখানে সুড়ঙ্গ বা ফাঁক করে দেয়। সূতার এই ফাঁক দিয়ে তখন আলাদা একটা সূতার নলি-সহ মাকু, ওই ফাঁক হওয়া সুড়ঙ্গ দিয়ে আসা-যাওয়া করতে থাকে। আর শানা বা রিড ওই সূতাগুলো চাপ দিয়ে দিয়ে একসাথে করে দেয়, তখনই তৈরি হয়ে যায় কাপড়।

কাপড়ের গায়ে যেই নকশি বা ডিজাইন দেখা যায়, সেই নকশি বা ডিজাইন করা হয় জাপানি জ্যাকেট বা ডবির সাহায্যে। ডবি বা জ্যাকেট বহুরকমের হয়। যা দিয়ে তৈরি করা হয় জামদানি বা টাঙ্গাইল শাড়ি বা পর্দার কাপড়, সময়-সময় জামা, প্যান্ট, তোয়ালে, গেঞ্জির ট্যাগ, ও মসলিন কাপড় তৈরি করতেও ডবি বা জ্যাকেটের প্রয়োজন হয়। জ্যাকেট বা ডবি হলো একটা ছোট মেশিনের মতো যা তাঁত বা পাওয়ার লুমের উপরে সেটিং করা থাকে। ২৪ লিভারের ডবিও আছে। লিভার হলো যা দিয়ে সূতার ঝাপগুলি টেনে টেনে ওঠা-নামা করায়, তাকেই বলে ডবি বা জ্যাকেটের লিভার। শাড়ি কাপড় তৈরি করতে হলে জ্যাকেট ছাড়া কিছুতেই সম্ভব নয়।

আমরা যখন আদর্শ কটন মিলে থাকতাম, তখন মিলের ভিতরে গিয়ে দেখতাম আমার বড়দাদা বসে-বসে বয়ের ভিতরে সূতা ঢুকাচ্ছে, একজন হেলপার সাথে নিয়ে। আমিও শখ করে হেলপারের জায়গায় বসে আমার বড়দাদার সাথে সূতা গাঁথতাম। সেই থেকে আমার কাপড়ের মিলে বা টেক্সটাইল মিলে তাঁতের কাজ শেখা (আমি নিজেও একজন ড্রয়ারম্যান)। সেসব বড় বড় মিলে কাপড় তৈরির সব মেশিনপত্র থাকতো—তুলা থেকে সূতা, সূতা থেকে কাপড়, তারপর কাপড়ে রং করে পরে বাজারে বা বিদেশে রপ্তানি করা পর্যন্ত। সেসব মিলে তুলা আসতো নৌকায় বা বাই রোডে। প্রথমে তুলা যেত ব্লু রুমে। ব্লু রুমে তুলাকে রিচার্জ করে আসতো স্পিনিং ডিপার্টমেন্টে। স্পিনিং-এ তৈরি হতো সূতা, সূতা হয়ে চলে যেত (Warping) ওয়ার্পিং-এ। সেখান থেকে ভীম হয়ে চলে যেত সাইজিং (সূতা মাড় করার মেশিন)-এ। সাইজিং থেকে সূতা মাড় হয়ে বা ভীম হয়ে আসে তাঁতে। তাঁত থেকে কারিগর বা তাঁতিরা তাঁত চালিয়ে তৈরি করতো কাপড়। সেই কাপড় আবার রং করার জন্য চলে যেত ডাইং-এ। ডাইং থেকে কাপড় রং হয়ে চলে যেত হাটবাজারে বা বিদেশে।

কিছুদিন আগে আমাদের নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটা প্রাইভেট টেক্সটাইল মিলে গিয়েছিলাম, একজন পরিচিত তাঁতির সাথে দেখা করতে। গিয়ে দেখি সেখানে আমার পরিচিত অনেক তাঁতিরা কাজ করছে। তাদের জিজ্ঞেস করলাম, কেমন কী অবস্থা বর্তমানে টেক্সটাইল মিলের? উত্তর পেলাম—"না দাদা, না ভালো না, কাজ করলে দিনকার রোজগার হয়, না করলে আর হয় না।"

এই লেখার মাঝে আমার করা একটা টেক্সটাইল মিলের ভিডিও করা। সেই ভিডিও আমি আমার ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করে রেখেছি। 

ভিডিওতে  দেখা যায় তাদের পরনে দেখলাম জীর্ণ কাপড়, জীর্ণ দেহ—সব মিলিয়ে একেবারে দুরবস্থা। সেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁতে কাজ করে এখনো ঠিকমতো সংসার চালাতে পারছে না পরিচিত তাঁতিরা। অথচ তাঁত চালিয়ে মানুষের লজ্জা নিবারণের জন্য কাপড় তৈরি করে যাচ্ছে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত। আমিও সেই কাপড় তৈরির কারিগর—তাঁতি ও ড্রয়ারম্যান।

বর্তমানে এই কাপড় ছাড়া কোনো দেশের রাজা-বাদশাদেরই লজ্জা নিবারণ হয় না। আমরা এই কাপড় তৈরি করার কারিগর বা তাঁতি। আজ আমি গর্ব করে বলতে পারি—আমি সারা দুনিয়ার মানুষের লজ্জা নিবারণের কারিগর বা তাঁতি। আমি বা আমরা পরের লজ্জা নিবারণের জন্য বস্ত্র বা কাপড় তৈরি করি, আর আমি আজ নিজেই টাকার অভাবে বস্ত্রহীনভাবে থাকতে হয় সময়-সময়। আমার মায়ের শরীরে পেঁচানো থাকে ছেঁড়া কাপড়, নিজের স্ত্রীর থাকে ছেঁড়া কাপড়, ছেলে-মেয়ের পরনে থাকে ছেঁড়া কাপড়। আর দিনদিন থাকি না খেয়ে। সময়-সময় কাজে বা মিলে ডিউটি করতে যেতে হয় না খেয়ে। সারা বছর থাকতে হয় ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে। এক গজ কাপড় তৈরি করে পাই দুই টাকা, সারাদিনের মজুরি গড়ে পাই ২৫০/৩০০ টাকা। বিদ্যুৎ না থাকলে মজুরি নাই, ঈদ/পূজায় বোনাস নাই, বাৎসরিক কোনো ভাতা নাই। প্রাইভেট কোনো মিলে চাকরির নিশ্চয়তা নাই। তবু আমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিল্পের কারিগর—বস্ত্র কারিগর, সকলের লজ্জা নিবারণের কারিগর।

আমি তাঁতি, আমি গর্বিত তাঁতি।

✍️ লেখক পরিচিতি

নিতাই বাবু একজন সংবেদনশীল ব্লগার ও কথাশিল্পী। তাঁর লেখায় উঠে আসে সমাজের গভীর অন্তর্দৃষ্টি, মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং শিকড়ঘেঁষা অভিজ্ঞতা। তিনি bdnews24.com-এর পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্লগার এবং নিয়মিতভাবে বাংলার ভাষা, নদী, শহর ও স্মৃতির গল্প লিখে থাকেন।


📢 আপনার মতামত জানান

এই লেখা যদি আপনার মনে সামান্যও স্পর্শ করে, তাহলে একটি মন্তব্য করতে ভুলবেন না। আপনার মতামত লেখককে অনুপ্রাণিত করবে। আপনি চাইলে শেয়ারও করতে পারেন আপনার প্রিয়জনদের সঙ্গে — যেন মানবতা ও ভালোবাসার এই বার্তাটি আরও দূর ছড়িয়ে যায়।

📢 লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সঙ্গে:

🔗 ফেসবুকে শেয়ার করুন


💬 পাঠকদের মতামত:

এই লেখাটি পড়ে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। নিচে মন্তব্য করে জানিয়ে দিন—আপনার এলাকার তাঁত শিল্প কেমন আছে এখন?

মন্তব্যসমূহ