পোস্টগুলি

জুন ৮, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গাঁজা বা সিদ্ধি: ইতিহাস, উপকার ও ক্ষতি

ছবি
গাঁজা বা সিদ্ধি: ইতিহাস, উপকার ও ক্ষতি গাঁজা গাছের ছবি — শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমিকা গাঁজা বা সিদ্ধি একটি বহু আলোচিত উদ্ভিদজাত নেশাদ্রব্য, যা আমাদের সমাজে নানা কারণে পরিচিত। কেউ এটিকে চিকিৎসার উপকরণ হিসেবে দেখে, আবার কেউ মাদকদ্রব্য হিসেবে ভয় পায়। যুগে যুগে এটি ধর্মীয়, আয়ুর্বেদিক ও আধুনিক চিকিৎসা—সব ক্ষেত্রেই নানা ভাবে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। আজ আমরা জানব এর ইতিহাস, উপকারিতা এবং ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে। গাঁজা বা সিদ্ধির ইতিহাস গাঁজার ব্যবহার প্রাচীন ভারত, চীন, পারস্য এবং মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার বছর আগে শুরু হয়। বৈদিক যুগে হিন্দু ধর্মে শিবের ভক্তরা ভাং (গাঁজাজাত পানীয়) সেবন করতেন। চৈনিক প্রাচীন গ্রন্থেও ক্যানাবিস উদ্ভিদের চিকিৎসা ব্যবহার উল্লেখ রয়েছে। ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতবর্ষে গাঁজার উপর কর বসানো হতো এবং অনুমোদিত বিক্রি চলত। তবে কালের প্রবাহে এটি নেশাদ্রব্য হিসেবে কুখ্যাত হয়ে ওঠে এবং বর্তমানে অনেক দেশে নিষিদ্ধ মাদকের তালিকায় রয়েছে। গাঁজার উপকারিতা ব্যথা উপশম: গাঁজার উপাদান CBD দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা ...

আদমজী জুট মিলের ইতিহাস ও বর্তমান আদমজী ইপিজেড

ছবি
আদমজী জুট মিলের ইতিহাস ও বর্তমান আদমজী ইপিজেড ভূমিকা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে আদমজী জুট মিল এক উজ্জ্বল অধ্যায়ের নাম। এক সময়ের বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাটকল, আদমজী ছিল কেবল একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান নয়—বরং জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। স্বাধীনতার পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এই মিলের ভূমিকা ছিল অনন্য। প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য: আদমজী পরিবারের উদ্যোগে ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই মিল। উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব বাংলার পাটকে প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানিযোগ্য পণ্য তৈরি করা এবং এশিয়া মহাদেশে পাটশিল্পে নেতৃত্ব দেওয়া। আদমজী জুট মিল: এক ইতিহাস প্রতিষ্ঠা: ১৯৫০ সালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শুরু: ১৯৫১ সালের ১২ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন প্রথম ইউনিটে ছিল ১৭০০ হেসিয়ান ও ১০০০ সেকিং লুম চাকরি করতেন প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক এশিয়ায় খ্যাতি ও স্বর্ণযুগ ১৯৬০-৭০ এর দশকে আদমজী জুট মিল এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ পাটকল হিসেবে খ্যাতি অর্জন করে। বৈদেশিক রপ্তানিতে এই মিল একাই আনে কোটি কোটি ডলার। ব্রিটেন, তুরস্ক, জার্মানি, জাপান সহ ব...

গণেশের আসল মাথা ও হাতির দেহটা কোথায় এবং কীভাবে পূজিত হচ্ছে?

ছবি
🔱 গণেশের আসল মাথা ও হাতির দেহ কোথায় এবং কীভাবে পূজিত হচ্ছে? ✍️ আমি  একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি আমার মা-বাবা, ভাই-বোন, কাকা-কাকী, মামা-মামী-সহ হিন্দু সমাজের সকলেই ধর্মীয় নিয়মনীতি মেনে বিভিন্ন দেবদেবীর পূজার্চনা করে আসছে। নিজেও নিজের এলাকায় প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হওয়া প্রায় সব কয়টা পূজায় অংশগ্রহণ করে ভক্তিভরে পালন করি। সবচেয়ে বেশি আনন্দ উপভোগ করি আমাদের হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ দূর্গা পূজায় । প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ ের দিনটি শুরু করি গণেশ পূজা করে। বাংলা নববর্ষের এই দিনে দেবতা গণেশের পূজা করার সময় নিজে নিজেকে প্রশ্ন করি — “আচ্ছা, এই দেবতা গণেশের হাতির মাথা কেন? আর তাঁর আসল মাথাটা কোথায়? সেই হাতির দেহটাই বা কোথায় গেল?” পুরোহিতদেরও প্রশ্ন করেছি, কিন্তু পরিপূর্ণ উত্তর পাইনি। তাই নিজেই শিব পুরাণ ঘেঁটে খুঁজে পেলাম এই রহস্যময় কাহিনির কিছু অংশ। আর আমার বড় দাদার (বর্তমানে স্বর্গীয়) মুখে শোনা কিছু অলৌকিক তথ্য মিলিয়ে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি — 🔱 গণেশের জন্ম ও মাথা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ...

লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলস্‌ উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস ও অতীত বর্তমান প্রেক্ষাপট

ছবি
  লক্ষ্মী নারায়ণ কটন মিলস্ উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস 📜 প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলস্‌ উচ্চ বিদ্যালয়: গোদনাইল, নারায়ণগঞ্জ-এর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন নির্বাহী সারসংক্ষেপ: লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলস্‌ উচ্চ বিদ্যালয় নারায়ণগঞ্জ, বাংলাদেশের গোদনাইল এলাকায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর ইতিহাস একটি সুদূরপ্রসারী যাত্রার প্রতিফলন, যা একটি তুলাকলের শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে বর্তমানে একটি সুপরিচিত উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়েছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি শুধু তার একাডেমিক কার্যক্রমের জন্যই নয়, বরং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে এর সম্পৃক্ততা এবং আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার জন্যও উল্লেখযোগ্য। প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিশেষত বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে, বিদ্যালয়টি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। একসময় এটি একটি বেসরকারি, শিল্প-নির্ভর কল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে কাজ শুরু করেছিল, যা পরবর্তীতে জাতীয়করণ এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় একটি শক্তিশালী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় । এট...

এই পৃথিবীর একমাত্র সতী নারী হলো আপনার আমার গর্ভধারিণী মা

ছবি
  এই পৃথিবীর একমাত্র সতী নরী হলো আপনার আমার গর্ভধারিণী মা লেখক: নিতাই বাবু ব্লগ বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম-এর পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক সাংবাদিক গোদানাইল, নারায়ণগঞ্জ সহযোগিতায়— চার্টজিপিটি ওপেনএআই ভূমিকা “সতিত্ব” শব্দটি শুধু নারীত্বের নয়, মানবতার এক গৌরবময় মাপকাঠি। কিন্তু সমাজ ও ইতিহাস নারীর সতীত্বকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করেছে, যা পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির ছায়া বহন করে। এই প্রেক্ষাপটে ‘সতী নারী’ বলতে আমরা কী বুঝি? কিংবা কাকে ‘সতী’ বলা উচিত? পৌরাণিক কাহিনি, সামাজিক রীতিনীতি আর ব্যক্তি অভিজ্ঞতার আলোকে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা গেলে দেখা যাবে—এ পৃথিবীতে যদি সত্যিকার কোনো সতী নারী থেকে থাকেন, তবে তিনি হলেন আমাদের মা । সেই মা যিনি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, আত্মত্যাগ, রুদ্ধঘরে কষ্ট লুকিয়ে সন্তানকে আগলে রাখার অন্য নাম। এই লেখায় আমরা বিশ্লেষণ করব, কেন 'মা'-ই সতীত্বের সর্বোচ্চ প্রতীক, আর কেন তিনি ব্যতিক্রমহীনভাবে আমাদের সকলের শ্রেষ্ঠতম "সতী নারী"। মূল লেখা সতীত্বের প্রচলিত ধারণা ও তার সংকীর্ণতা সতীত্ব শব্দট...

মানবতার মন্দির

ছবি
  🕊️ মানবতার মন্দির লিখেছেন: নিতাই বাবু 🌼 ভূমিকা আজকের সমাজে আমরা ধর্মীয় আচারে যতটা উৎসাহী, মানবিক দায়িত্ববোধে ততটাই উদাসীন। মন্দিরে দান করি, প্রার্থনায় মাথা নত করি, কিন্তু পাশের ক্ষুধার্ত মানুষটির দিকে তাকাই না। এই কবিতাটি সেই বাস্তবতাকে সামনে আনে—যেখানে ভগবানের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে মানবতা। ✍️ কবিতা: মানবতার মন্দির মন্দিরের দান বাক্সে ফেলে টাকা শতশত, ধনী-গরিব মিলেমিশে ভক্তবৃন্দ আছে যত। ভক্তিভরে করে দান, হাত জোড়ে মাথা নত, দেয় না তাদের, যারা ক্ষুধায় কান্নায় থাকে রত। ঘণ্টাধ্বনি, প্রদীপ জ্বলে, ধূপে ভরে চারদিক, মনে রাখে না কেউ পাশের ক্ষুধার্ত শিশুটিক। ভগবানের নাম জপে, পূজার ফুলে পূর্ণ থাল, দেয় না একমুঠো ভাত, যার ঘরে নেই আজকাল। মন্দিরে যে স্বর্ণ মুকুট, সেই মুকুটে কী দাম? যদি পথে মরে শিশু, পত্রিকায় উঠে না তার নাম। ভক্তি যদি হয় সত্য, তবে সে তো হবে প্রীতি, মানবসেবাই ধর্ম, সেখানেই থাকে ঋতি। ভগবান কি চায় ধূপ-ধুনো, সাজসজ্জা আর ধ্বনি? নাকি চায় সে সহানুভূতি—প্রেমের অমলবাণী? মন্দির নয়, মানব হৃদয় হোক তোমার পূজার স্থান, ভালোবাসা দাও সবারে, তবেই হবে প...

চারদিকে যুদ্ধের ডামাডোল

ছবি
  যুদ্ধ থামবে কবে? ✍️ ভূমিকা যুদ্ধ—শব্দটি শুনতেই যেন গা শিউরে ওঠে। ধ্বংস, কান্না, হাহাকার আর অনিশ্চয়তা—এই শব্দের পেছনে লুকিয়ে থাকে হাজারো বেদনার গল্প। চারপাশে যখন যুদ্ধের ডামাডোল, তখন মানবিক অনুভূতিরা মুখ লুকায় ধ্বংসস্তূপে। এই কবিতাটি লেখা হয়েছে সেই যন্ত্রণার মুহূর্তগুলিকে স্মরণ করে— যেখানে শিশুর কান্না, মায়ের চোখের শূন্যতা আর বৃদ্ধের নির্বাক হতবাক চাহনি একসাথে মিলিয়ে দেয় এক বেদনার বার্তা। যুদ্ধ যুদ্ধ, চারদিকে শোক, জ্বলছে নগর, পুড়ছে লোক— আকাশ কাঁদে, মাটি নড়ে, নিঃশব্দ গ্রামে কান্না পড়ে। শিশুর চোখে ভয়ের ছবি, মায়ের বুকে আগুন থাবি। না আছে আশা, না আছে শান্তি, চারিদিকে মৃতের ভ্রান্তি। জানেনা কেউ— থামবে কবে, এই রক্তধারা গঙ্গা হবে? ছেলে জানে না, না জানে বৃদ্ধ, হারায় প্রতিদিন হাজার চিত্ত। যোয়ান গেছে, ফেরা নাই, পথে পথে শুধু পঁচা নিস্তাই। কে দেবে শান্তির একটুকু গান? কে রাখবে রক্তে ভেজা প্রাণ? যুদ্ধ থামুক, এই কামনা, ভালোবাসা হোক জীবনের মানা...

আমি ঘৃণিত না কি তুমি?

ছবি
  আমি ঘৃণিত, না কি তুমি? ভূমিকা সমাজের নানা স্তরে অবহেলিত, দুর্বল, দরিদ্র মানুষেরা প্রায়শই কেবলমাত্র জন্মসূত্রে, ধর্মে, পেশায় বা চেহারায় 'ঘৃণিত' হিসেবে চিহ্নিত হন। অথচ তাদের জীবনযাপন, শ্রম ও আত্মত্যাগে সমাজ এগিয়ে চলে। এই কবিতাটি সেইসব প্রান্তিক মানুষের আত্মজিজ্ঞাসা, প্রতিবাদ এবং আত্মসম্মানের এক নিঃশব্দ চিৎকার— যারা বলে, "আমি মানুষ, কিন্তু তবুও কেন সমাজের চোখে অমানুষ?" আমি হিন্দু, আমি নিম্নবর্ণ— তোমার চোখে আমি নোংরা? তুমি কি জানো, বিশ্বাসের নামে তোমার মনটাই কত অন্ধ অন্ধকার? আমি গরিব, ভাত চেয়ে খাই, তুমি ধনী, নিত্য ভোজে মত্ত, আমি রিকশা চালাই, তুমি চড়ো— তবু ঘৃণা শুধু আমার ঠিকানায় জড়ো! আমি চাকরি করি, বেঁচে থাকি, তুমি কর বস, দাও আদেশ, আমার শ্রমে চলে তোর অফিস— তবু আমাকেই বলো ‘পরাধীন’, কেন রে এত নিষ্ঠুর তেজ? আমি বস্তির মানুষ, ঘরের নেই ছাদ, তুমি ফ্ল্যাটে, এসিতে জমে বরফ, আমার ঘামেই গড়ে ওঠে শহর— তবু আমি উদ্বাস্তু, তুমি কি তবে ‘নাগরিক’ সত্যরূপ? আমি সংখ্যালঘু, আমি একা, তোমার সংখ্যায় আমি ক্ষয়, তুমি সংখ্যায় বড়, তবু মানবতায়— তুমি...

চায়ের কাপে জীবনের গল্প—মিহির বিশ্বাসের একান্ত গল্প

ছবি
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলি বাজারে প্রতিদিন সকাল থেকেই জমে ওঠে এক নির্ভরতার আড্ডা—চা দোকানি মিহির বিশ্বাসের ছোট্ট চায়ের দোকান। বয়সের ছাপ তার মুখে স্পষ্ট হলেও হাসিমাখা চেহারার এক অনন্য সৌন্দর্য আছে, যা যে কাউকে মুগ্ধ করে। তিনি শুধু চা বিক্রি করেন না, বিনয়ের সঙ্গে মানুষের মনের ক্লান্তি দূর করেন। নম্র-ভদ্র একজন মানুষ মিহির বিশ্বাসের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বললেই বোঝা যায়, তিনি কতটা বিনয়ী ও ভদ্র মানুষ। গলার স্বর নরম, চোখে আত্মবিশ্বাস, আর কথায় আন্তরিকতা—এ যেন আজকের দিনে এক বিরল গুণ। তিনি সবার সঙ্গে সম্মান রেখে কথা বলেন, এমনকি নতুন অতিথির প্রতিও তার আচরণ থাকে অত্যন্ত আন্তরিক। বাজারে যারা নিয়মিত আসেন, তারা বলেন, “মিহিরদার চায়ের দোকান না হলে সকালটাই যেন জমে না।” জীবনের কঠোর বাস্তবতায় গড়া মিহির বিশ্বাসের জীবনের গল্পটা ঠিক যেন আমাদের আশেপাশের অনেক নামহীন সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। ছোট্ট এই দোকানই তার রোজগারের একমাত্র উৎস। তবে এতে তার কোনো হতাশা নেই। বরং পরিশ্রমকে ভালোবেসেই তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের আত্মসম্মান। বাজারে দাঁড়িয়ে মানুষজনের জন্য চা বানানোর মাঝে তিনি খুঁজে পান জীবনের মানে। দোকান আর মান...